রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

(RUAA)


(খসড়া গঠনতন্ত্র)

গঠনতন্ত্র উপকমিটি

আহবায়ক

হাফিজুর রহমান খান

সদস্য

আবুল হাসনাত কাজী কামরুজ্জামান

এলেনা আখতার খান

এস এম অব্রাহাম লিংকন

ড. এম রেজাউর রহিম

মো: ওয়াহিদ মুরাদ

মো: আনোয়ার হোসেন

মো: আমিনুল হক হেলাল

মোহাম্মদ আইয়ুব আলী খান

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

সাইফুল মজিদ মো: বাহাউদ্দিন

সিরাজুল ইসলাম (সিরাজুম মনির)

সৈয়দ আপন আহসান

সহযোগিতায়

আবুল বাসার বাদল

এস এম এ মুঈদ

এ এইচ এম জাহেদ চৌধুরী

ড. বিধান চন্দ্র দাস

ড. ফজলুল হক

ড. রেজাউল করিম মামুন

নিয়ামত আলী

প্রফেসর ড. এম ছায়েদুর রহমান

মো: আমিনুর রহমান বাচ্চু

মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান

শরিফ মো: সাইফুজ্জামান (রিপন)

নামগুলো বর্ণানুক্রমে লেখা হয়েছে

ভূমিকা

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারত সরকার ১৯১৭ সালে আট সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিশন গঠন করে। ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মাইকেল ই. স্যাডলার ছিলেন এই কমিশনের প্রেসিডেন্ট। ভারতীয় হিসেবে এই কমিশনের (স্যাডলার কমিশন) সদস্য ছিলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ও ড. জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ । এই কমিশন ঢাকাসহ আরও কয়েকটি জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সুপারিশ করে। এই সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৩০ সালের মধ্যে ঢাকাসহ ভারতবর্ষের আরও কয়েকটি জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কমিশন রাজশাহীর সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজশাহীতেও একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে। কিন্তু দেশ বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে একমাত্র ঢাকা ছাড়া অন্য কোথাও আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর উত্তরাঞ্চলে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে অনুভূত হয়। বিশেষ করে একাডেমিক কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে উত্তরাঞ্চলের কলেজগুলো সমস্যায় পড়ে। ১৯৫০ সালে ড. ইতরাত হোসেন জুবেরী রাজশাহী কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেওয়ার পরে স্যাডলার কমিশনের সূত্র ধরে রাজশাহীতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সুধী সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ১৯৫০ সালের নভেম্বর মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি তৈরি হয়। এই কমিটির সভাপতি ছিলেন রাজশাহী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ আলী ও যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যান ও পাকিস্তান আইনসভা সদস্য মাদার বখ্শ এবং রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ ড. ইতরাত হোসেন জুবেরী। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়ে উঠলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বিল প্রণয়নের জন্য ড. ইতরাত হোসেন জুবেরীকে সচিবালয়ে স্পেশাল অফিসারের পদ সৃষ্টি করে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিল প্রণয়নকালে রংপুর, খুলনা, সিলেট প্রভৃতি জেলাতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কালক্ষেপণ শুরু করলে রাজশাহীর রাজনৈতিক নেতারাসহ সর্বস্তরের মানুষের রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে সরকারের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। তদানীন্তন নুরুল আমিন সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং ১৯৫২ সালের ১ নভেম্বর আইন পরিষদের স্পিকার আবদুল হামিদ চৌধুরী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বিল উত্থাপন করেন। কিন্ত এই বিলে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব আসায় ও পুনরায় বিভিন্ন জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠায় বিলটি পাসে অচলাবস্থা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীতে আন্দোলন শুরু হয় ও কিছু ছাত্রকে গ্রেপ্তারও করা হয়। একপর্যায়ে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষের প্রবল দাবিকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিন পার্টি মিটিংয়ের সম্মতিক্রমে বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে না পাঠিয়ে সরাসরি আইন পরিষদে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

অবশেষে ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ বিলটি The Rajshahi University Act, 1953 (The East Bengal Act XV of 1953) নামে আইন পরিষদে পাস হয়। ৬ জুন গভর্নর এই বিলে সম্মতি দেন। ১৬ জুন ১৯৫৩ তারিখে অ্যাক্টটি ঢাকা গেজেট এক্সট্রা অর্ডিনারিতে প্রকাশিত হয়। ৬ জুলাই রাজশাহী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ড. ইতরাৎ হোসেন জুবেরীকে প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য নিযুক্ত করা হয় এবং ওইদিন থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন থেকে প্রতিবছর ৬ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। মাত্র ১৬১ জন শিক্ষার্থী (১৫৬ ছাত্র+৫ জন ছাত্রী), ৭টি একাডেমিক বিভাগ ও তদানীন্তন খুলনা (বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা বাদে) ও রাজশাহী বিভাগের ২০টি অধিভুক্ত কলেজ নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম স্নাতক ডিগ্রি দেওয়া হয় ১৯৫৫ সালে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে শুরু করে। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তাল আন্দোলনের মাঝে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষক তদানীন্তন প্রক্টর ড. এস এম শামসুজ্জোহা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যলয় প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করে থাকে। ১৮ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এ দিনটিকে ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি করা হচ্ছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ব্যাপক ও তাৎপর্যপূর্ণ। একাত্তরের মার্চেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রসমাজ কর্তৃক ক্যাম্পাসে পাকিস্তানি পতাকায় আগুন ধরানো হয়। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ড. সিরাজুল আরেফিনের সভাপতিত্বে এক সভায় বাংলাদেশের পূর্ণ স্বাধীনতার প্রস্তাব গ্রহণ করে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সংস্কৃত ভাষার অধ্যাপক সুখরঞ্জন সমাদ্দার, গণিত বিভাগের অধ্যাপক হবিবুর রহমান ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মীর আব্দুল কাইয়ুমকে পাকিস্তানি বাহিনী ধরে নিয়ে হত্যা করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ছাড়াও নানাভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধে সম্পৃক্ত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক, নয়জন ছাত্র, পাঁচজন সহায়ক কর্মচারী ও দশজন সাধারণ কর্মচারী শহীদ হন। স্বাধীনতার পরেও বিভিন্ন সময়ে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে শিক্ষা, সাহিত্য , সংস্কৃতি, ক্রীড়া, রাজনীতি ও গবেষণামূলক কাজে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গৌরবময় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য স্নাতক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নানা ক্ষেত্রে অতীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, এখনো রাখছেন এবং আগামীতেও রাখবেন। দেশের অন্যতম বৃহত্তম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক স্নাতক তাঁদের ‘আলমা ম্যাটার’ (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) এই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান সৃষ্টির অন্যতম আধার হিসেবে দেখতে চান। একই সঙ্গে তাঁরা দেখতে চান দেশের আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক উন্নয়নে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। এই লক্ষ্য পূরণে এখানকার স্নাতকেরা তাঁদের জ্ঞান ও সক্ষমতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে নানা কাজে সম্পৃক্ত হতে চেয়েছেন। চেয়েছেন নিজেদের মধ্যে অর্থবহ যোগাযোগ তৈরি করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কল্যাণকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে। এই লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের চেষ্টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট (সিদ্ধান্ত নং ৮৭, ৩৫৭তম সিন্ডিকেট, তারিখ ১৪/২৪-১০-৯৯ ও সিদ্ধান্ত নং ১৮, ৪০৯তম সিন্ডিকেট তারিখ ২২-০২-২০০৭) একটি আলামনাই অর্গানাইজিং কমিটি তৈরি করে এবং এরই ধারাবাহিকতায় ১২-১৩ এপ্রিল ২০১৩ প্রথম সম্মিলনের মাধ্যমে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (RUAA) গঠিত হয়।

উল্লিখিত এই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার (এপ্রিল ২০১৩) পরে নতুন কোনো কমিটি তৈরি না হওয়ায় RUAA-এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ২৭/০২/২০২১ তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ৪৬৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে (সিদ্ধান্ত নং ৮২, ৫০৪তম সিন্ডিকেট)।

উল্লেখ্য যে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় বিভিন্ন নামে বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন । এ ছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগভিত্তিক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত আছে এবং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিগত দিনে যাঁরা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেছিলেন বা অবদান রেখেছেন, তাঁদের সেই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতার উপলব্ধি থেকেই এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন পুনর্গঠনের কার্যক্রম। আশা করি এর মাধ্যমে একটি কার্যকর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রত্যয় নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।

সিন্ডিকেট গঠিত আহ্বায়ক কমিটি RUAA-এর গঠনতন্ত্র নতুনভাবে তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করে ও উল্লিখিত খসড়া গঠনতন্ত্র ……………… তারিখে আহ্বায়ক কমিটি সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করে এবং সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়। ..........

(পাস হওয়ার পরে ১/২টি বাক্য লিখতে হবে)।

[সূত্র: Hundred years of the History of of the University Calcutta: 1957, p. 263]

[সূত্র: Akanda, S.A. (ed) The District of Rajshahi: Its Past and Present (IBS, RU, 1983) p. 459]

[সূত্র: রাজশাহীর ইতিহাস, ১ম ও ২য় খণ্ড -, গতিধারা,২০০৭); রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, শেকড় সন্ধানী প্রকাশনী, ২০০৫]।

ধারা-১ : নাম

সংগঠনের নাম হবে বাংলায় ‘রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (আরইউএএ)’ এবং ইংরেজিতে Rajshahi University Alumni Association (RUAA)

এবং উভয় ক্ষেত্রেই সংক্ষেপে ‘রুয়া’ উচ্চারিত হবে ।

ধারা-২ : প্রতীক ও পতাকা

অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতীক এবং নিজস্ব পতাকা থাকবে।

প্রতীক (সংযুক্ত) :

মাঝখানে রাজশাহী ইউনিভার্সিটির মূল প্রতীক রেখে, গোলাকৃতি রেখা ধরে বাংলা এবং ইংরেজিতে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও Rajshahi University Alumni Association - RUAA লেখা থাকবে। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রারম্ভকে স্মরণীয় রাখতে লেখার মাঝখানে ১টি বড় তারকা পাঁচ বছর এবং তিনটি ছোট তারকা তিন বছর বোঝাবে। এখন থেকে প্রতি পাঁচ বছরে একটি বড় তারকা এবং প্রতিবছর শেষে একটি ছোট তারকা প্রতীক এর সাথে যুক্ত হবে। প্রতীকটিতে বাইরে সবুজ রেখা সহ লাল বৃত্ত বাংলাদেশকে উপস্থাপন করবে।

পতাকা :

অ্যাসোসিয়েশনের পতাকা হবে সাদা কাপড়ের মাঝখানে অ্যাসোসিয়েশনের প্রতীক দিয়ে। পতাকার অনুপাত বাংলাদেশের এর জাতীয় পতাকার অনুপাতে ১০ শতাংশ ছোট হবে ।

ধারা-৩ : প্রধান কার্যালয়

অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কার্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত হবে। তবে প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন শহরে এর শাখা খোলা যাবে।

ধারা-৪ : বর্তমান ঠিকানা

বর্তমান ঠিকানা: ---------------------------

ধারা-৫ : সংজ্ঞা

বিষয় ও প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অনুরূপ না হলে এই গঠনতন্ত্রে:

ক) ‘অ্যাসোসিয়েশন’ অর্থ রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

খ) ‘অ্যালামনাই’ অর্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যূনতম স্নাতক সার্টিফিকেট অর্জনকারী যেকোনো ব্যক্তি, যিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজ - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল বা আছে এমন কলেজ হতে নির্ধারিত ডিগ্রিপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি, এমফিল করেছেন ।

গ) ধারা ও বিধি অর্থ - অত্র গঠনতন্ত্রের ধারা এবং এর অধীনে প্রণীত বিধি ও উপবিধিসমূহ।

ঘ) বছর অর্থ - ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।

ঙ) সদস্য অর্থ - সাধারণ সদস্য ও জীবন সদস্য (অন্যরূপ লেখা না হলে)।

চ) সম্পত্তি অর্থ – নগদ তহবিলসহ অ্যাসোসিয়েশনের সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ।

ছ) স্নাতক অর্থ - স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

জ) কর্মচারী অর্থ - কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

ঝ) ‘রাবিয়ান’ অর্থ - রাজশাহী ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ।

ঞ) ‘শিক্ষার্থী’ অর্থ - ছাত্রছাত্রী ।

চ) নির্বাহী কমিটি অর্থ - অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি ।

ছ) নির্বাহী সদস্য অর্থ - অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির যেকোনো পদ-পদবিধারী এবং সদস্য পদবিধারী।

ধারা-৬ : পরিধি

সমগ্র বাংলাদেশ। তবে অন্য যেকোনো দেশেও এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাবে।

ধারা-৭ : মর্যাদা

‘রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’ একটি রাজনৈতিক দলনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক, জনহিতকর, শিক্ষা, কল্যাণমূলক ও অলাভজনক সংগঠন ।

ধারা-৮ : নিবন্ধন

সমাজসেবামূলক কাজের জন্য ‘অ্যাসোসিয়েশন’ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে নিবন্ধন নিতে পারবে ।

ধারা-৯ : লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অ্যালামনাইদের কল্যাণে নিম্নলিখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে ‘অ্যাসোসিয়েশন’ পরিচালিত হবে;

ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা।

খ) অ্যালামনাইদের মধ্যে একতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপন এবং একে অন্যকে যথাসম্ভব সাহায্য ও সহযোগিতা করা।

গ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করা।

ঘ) সাহায্য পাওয়ার যোগ্য শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য একটি পৃথক তহবিল প্রতিষ্ঠা করা।

ঙ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ ও আনুগত্য উৎসাহিত করার জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মেধা ও অবদানের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উপনীত করার কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্যে অ্যালামনাইদের সমাবেশ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশিবির, প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

চ) লাইব্রেরি, মিউজিয়াম, কনফারেন্স সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, গবেষণাগার, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।

ছ) নিয়মিত ‘বুলেটিন’, সাময়িকী, পুস্তক মুদ্রণ, ই-পুস্তক ও বিভিন্ন প্রকাশনা প্রকাশ করা এবং প্রয়োজনে সংরক্ষণ করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রকাশনা সংরক্ষণ করা।

জ) সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।

ঝ) দেশে ও বিদেশে অ্যালামনাইদের সংগঠন গড়ে তোলা।

ঞ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করা।

ট) শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা।

ঠ) উপরোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলি অর্জনে তথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (আলমা ম্যাটার-এর ) প্রতি দায় মোচনের ক্ষেত্রে সহায়ক এরূপ অন্য সকল কার্যাবলি সম্পাদন করা।

ধারা-১০ : শাখা

ক) বাংলাদেশের কোনো জেলায় কিংবা উপজেলায় এবং প্রবাসের ক্ষেত্রে সে দেশে কিংবা সে দেশের কোনো শহরে ২১ জন জীবন সদস্য থাকলেই শাখা কমিটি গঠন করা যাবে।

অ্যালামনাইদের অবশ্যই রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের জীবন সদস্য হতে হবে ।

বিদেশে শাখা করার ব্যাপারে নির্বাহী কমিটি আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয়সংখ্যক অ্যালামনাই বিবেচনা করবেন এবং সাধারণ সভায় অনুমোদন নেবেন ।

শাখা গঠনের প্রস্তাবনায় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। কোনো শহরে, জেলা, উপজেলা কিংবা প্রদেশে একাধিক শাখা করা যাবে না।

খ) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শাখার নাম হবে,

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, ..................................... শাখা (স্থানের নাম)

গ) শাখাসমূহ নিজ নিজ স্থানে অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সাধনের জন্য কাজ করবে ।

ঘ) শাখার বার্ষিক প্রতিবেদন ও সদস্যদের তালিকা অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিবের বরাবর নিয়মিত প্রেরণ করতে হবে।

ঙ) সংশ্লিষ্ট শাখার নির্বাহী কমিটিকে অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ /মহাসচিবের বরাবর বার্ষিক কার্যবিবরণী এবং আয়-ব্যয় হিসাব প্রেরণ করতে হবে ।

চ) শাখাসমূহ আয়ের একটি নির্ধারিত অংশ অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ বরাবর প্রতিবছরের নভেম্বর মাসে পাঠাবে। এই অংশ শাখাসমূহের আয়ের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ হবে।

ছ) অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে যেকোনো শাখা আরইউএএ-এর কাছে অর্থ পাঠাতে পারবে।

জ) শাখাসমূহ রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্রের ধারা ও বিধি অনুসারে কাজ করবে এবং কোনোভাবেই অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনো উপধারা ও উপবিধি তৈরি কিংবা প্রয়োগ করতে পারবে না।

ঝ) সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটি সম্পর্কিত বিধানগুলো স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শাখাসমূহের কমিটি ও সাধারণ সভার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

ঞ) বিদেশস্থ শাখাসমূহ তাদের কার্যক্রম কেন্দ্রের অর্থাৎ রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সুষ্ঠু সমন্বয়পূর্বক পরিচালিত করবে।

ধারা-১১ : আয়ের উৎস

ক) সদস্য ফি, সদস্যদের অনুদান এবং চাঁদা

খ) সরকারি অনুদান

গ) দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত অনুদান

ঘ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দেওয়া অনুদান

ঙ) অ্যাসোসিয়েশনের শাখাসমূহ থেকে প্রাপ্ত অর্থ

চ) বিবিধ বৈধ আয়

ধারা-১২ : সদস্য

অ্যাসোসিয়েশনে নিম্নোক্ত পাঁচ ধরনের সদস্য থাকবে -

ক) সাম্মানিক (অনারারি) সদস্য : কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনবোধে সেসব নন-অ্যালামনাই, যাঁরা অ্যাসোসিয়েশনের মর্যাদা ও স্বার্থের উন্নয়নে/পরিবর্ধনে সহায়ক, স্বনামধন্য ব্যক্তিদের সাম্মানিক সদস্য পদ প্রদান করতে পারবেন। তবে, কোনো সাম্মানিক সদস্য ‘অ্যাসোসিয়েশনের’ কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা ভোট প্রদান করতে পারবেন না।

খ) সাধারণ সদস্য : সাধারণ সদস্য পদ কেবলমাত্র ৫খ ধারায় সংজ্ঞায়িত অ্যালামনাইদের জন্য নির্ধারিত থাকবে এবং বিধি মোতাবেক নির্ধারিত বার্ষিক চাঁদা প্রদান করবেন।

গ) জীবন সদস্য: অ্যাসোসিয়েশনের জীবন সদস্য কেবলমাত্র ৫খ ধারায় সংজ্ঞায়িত অ্যালামনাইদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। জীবন সদস্যের বার্ষিক কোনো সদস্য চাঁদা দিতে হবে না।

ঘ) সহযোগী সদস্য: রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সম্মানিত শিক্ষক (নন-অ্যালামনাই) কিংবা সংশ্লিষ্ট জীবন সদস্যের স্ত্রী/স্বামী অথবা সন্তান সহযোগী সদস্য হতে পারবেন। জীবন সদস্যদের জন্য নির্ধারিত এককালীন সদস্য ফি তাঁরাও প্রদান করবেন । বার্ষিক কোনো সদস্য চাঁদা দিতে হবে না।

সহযোগী সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা ভোট প্রদান করতে পারবেন না এবং নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে পারবেন না।

ঙ) আর্থিক প্রণোদনা ( ডোনার মেম্বার ) সদস্য : কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনবোধে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এবং নন-অ্যালামনাইদের মধ্য থেকে অ্যাসোসিয়েশনের মর্যাদা ও স্বার্থের উন্নয়নে/পরিবর্ধনে সহায়ক, স্বনামধন্য ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট আর্থিক প্রণোদনা ( ডোনেশন ) নিয়ে সদস্য পদ প্রদান করতে পারবেন। তবে কোনো আর্থিক প্রণোদনা ( ডোনার মেম্বার ) সদস্য 'অ্যাসোসিয়েশনের' কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা ভোট প্রদান করতে পারবেন না ।

এক্ষেত্রে আর্থিক প্রণোদনা সদস্যদের ( ডোনার মেম্বার ) কেউ যদি ‘অ্যাসোসিয়েশনের’ সাধারণ সদস্য কিংবা জীবন সদস্য হয়ে থাকেন এবং বিধি মোতাবেক নির্বাচন করতে চান, তবে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে এবং ভোট প্রদান করতে পারবেন।

ধারা-১৩ : সদস্যভুক্তির নিয়মাবলি

ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অ্যালামনাই অত্র অ্যাসোসিয়েশনের সংবিধানের ধারা, বিধি ও সদস্যদের জন্য করণীয় নিয়মাবলির প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করে নিজের স্নাতক/স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্ধারিত ফি ও বিধি মোতাবেক অন্যান্য কাগজপত্র প্রদানপূর্বক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হওয়ার জন্য নির্ধারিত আবেদন ফর্মে মহাসচিব বরাবর আবেদন করতে পারবেন । এই আবেদন কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হলেই আবেদনকারী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। শর্ত থাকে যে কার্যনির্বাহী কমিটি যেকোনো আবেদন গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান করার সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

খ) বছরের যেকোনো সময় নির্বাহী কমিটি ঘোষিত অফিস সময়সূচি অনুযায়ী সদস্য হওয়া যাবে। তবে নির্বাচনের প্রাক্বালে ধারা ৩৬-এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হবে ।

ধারা-১৪ : সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব

ক) সাধারণ সভায় উপস্থিত হওয়া, আলোচনায় অংশগ্রহণ ও প্রস্তাব পেশ করা।

খ) বিধি মোতাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া।

গ) অ্যাসোসিয়েশনের যেকোনো কমিটিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।

ঘ) ভোট প্রদান করা।

ঙ) অ্যাসোসিয়েশনের কোনো প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া।

চ) সংগঠনের উন্নয়নের স্বার্থে পরামর্শদান বা নির্বাচন কমিশনে কাজ করা।

ধারা-১৫ : সদস্য পদ বাতিল

নিম্নলিখিত কারণে সদস্য পদ বাতিল হবে , যদি কোনো সদস্য –

ক) স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন : সদস্য পদ ত্যাগে ইচ্ছুক সদস্যকে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র মহাসচিবের নিকট পাঠাতে হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। তবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে পুনরায় আবেদন করলে এবং তা সাধারণ সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে বিবেচনা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে নির্ধারিত পুনরায় সদস্যভুক্তি ফি প্রদান করতে হবে ।

খ) সাধারণ সদস্যদের ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েশনের প্রাপ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধে ব্যর্থ হন ।

গ) মৃত্যুবরণ করেন ।

ঘ) সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ঘোষিত হন।

ঙ) অ্যাসোসিয়েশনের গণতন্ত্র, বিধি ও নিয়মশৃঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত হন অথবা কোনো সদস্যের আচরণ বা কার্যকলাপ অ্যাসোসিয়েশনের মর্যাদা ও স্বার্থহানিকর বা ক্ষতিকর বলে বিবেচিত হয় ।

ধারা-১৬ : বহিষ্কার

কোনো সদস্য অ্যাসোসিয়েশন বা গঠনতন্ত্রবহির্ভূত বা অ্যাসোসিয়েশন বা গঠনতন্ত্রবহির্ভূত বা অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিকর কোনো কাজ করলে এবং এতৎবিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করে ও তার প্রাথমিক তদন্তপূর্বক কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে সাময়িকভাবে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁকে বহিষ্কার করা যাবে। বহিষ্কৃত সদস্য ভবিষ্যতে সদস্য হওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে সাধারণ সভায় বিষয়টি উপস্থাপিত হবে এবং সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘বহিষ্কার’ কার্যকর হবে।

ধারা-১৭ : পুনঃ সদস্যভুক্তি

ক) ধারা ১২(ক) ব্যতিরেকে যে সকল সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে, তিনি/তাঁরা কার্যনির্বাহী কমিটির শর্তপুরণ এবং ধারা ১০ অনুযায়ী সদস্য পদ বহালের আবেদন করলে কার্যনির্বাহী কমিটি তা বিবেচনা করতে পারবে।

খ) কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য পদত্যাগ/অব্যাহতি/অনাস্থা/ বহিষ্কার/ অপসারণ/মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদ শূন্য হলে নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে কো-অপট এর মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করতে পারবে অথবা নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্যকে ওই সম্পাদকীয় বা সহসম্পাদকীয় পদে সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য দেওয়া যাবে । পরবর্তী সাধারণ সভায় এই বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

ধারা-১৮ : সভা

অ্যাসোসিয়েশনের কাজ সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিম্নলিখিত সভা অনুষ্ঠিত হতে পারেঃ

ক) সাধারণ সভা

খ) বার্ষিক সাধারণ সভা

গ) বিশেষ সাধারণ সভা

ঘ) তলবি সভা

ঙ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

চ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা

ছ) বিভিন্ন উপকমিটির সভা

জ) নির্বাচন কমিশন সভা

ঝ) নির্বাহী কমিটি বিবেচিত ও নির্ধারিত সভা

ঞ) মতবিনিময় সভা

ধারা-১৯ : সাধারণ সভা

ক) অ্যাসোসিয়েশনের বিধি মোতাবেক একজন সাধারণ সদস্য বার্ষিক দেয় চাঁদাসহ সকল বকেয়া পরিশোধ করে এবং অন্যান্য সকল প্রকার সদস্য, পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টামণ্ডলী এই সভায় উপস্থিত থাকতে ও আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন।

খ) সভাপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মহাসচিব দুই সপ্তাহের (১৪ দিন) নোটিশে সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারবেন।

গ) তবে কোনো জরুরি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতি সাধারণ পরিষদের সভা যেকোনো সময়ের নোটিশে আহ্বান করার জন্য মহাসচিবকে দায়িত্ব প্রদান করতে পারবেন।

ঘ) প্রতিবছর কমপক্ষে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঙ) সাধারণ সভার সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচি সভার নোটিশের সাথে থাকতে হবে।

ধারা-২০ : বার্ষিক সাধারণ সভা

ক) এটি একটি সাধারণ সভা।

খ) সভাপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মহাসচিব ত্রিশ (৩০) দিনের নোটিশে বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারবেন।

গ) প্রতিবছর কমপক্ষে একটি বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। তবে বার্ষিক সাধারণ সভা বর্ষপঞ্জি (ক্যালেন্ডার ইয়ার)-এর ভেতর না হলেও তাকে ‘বার্ষিক সাধারণ সভা’ হিসেবে অভিহিত করা যাবে।

ঘ) বার্ষিক সাধারণ সভায় আয়-ব্যয় উপস্থাপিত হবে, হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ হবে।

ঙ) সাধারণ সভার সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচি সভার নোটিশের সাথে থাকতে হবে।

চ) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন নির্দিষ্ট বার্ষিক সাধারণ সভার পরপরই একই সভায় অনুষ্ঠিত হবে।

ধারা- ২১ : বার্ষিক সাধারণ সভার কাজ

বার্ষিক সাধারণ সভায় নিম্নোক্ত কার্য সম্পাদিত হবেঃ

ক) মহাসচিব কর্তৃক প্রণীত ও কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বারা অনুমোদিত বার্ষিক রিপোর্ট বিবেচনা;

খ) বিগত বছরের ‘অডিট রিপোর্ট’ বিবেচনা ও হিসাব-নিকাশ অনুমোদন;

গ) কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবিত ও কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত বাজেট অনুমোদন;

ঘ) ধারা-২৩ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রহণ;

ঙ) প্রয়োজনে গঠনতন্ত্র ‍ও বিধি প্রণয়ন, সংশোধন, পরিবর্তন ও অনুমোদন;

চ) সভাপতির অনুমতিক্রমে অন্য যেকেনো বিষয় উত্থাপন ও আলোচনা;

ছ) সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সভার সকল সিদ্ধান্ত উপস্থিত ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হবে। সমানসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে সভাপতি কাস্টিং বা নির্ধারণী ভোট দিতে পারবেন।

ধারা-২২ : বিশেষ সাধারণ সভা

ক) এটি একটি সাধারণ সভা, যেখানে কেবলমাত্র একটি আলোচ্যসূচি থাকবে।

খ) সভাপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মহাসচিব দুই সপ্তাহের (১৪ দিন) নোটিশে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারেন।

ঙ) বিশেষ সাধারণ সভার সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচি সভার নোটিশের সাথে থাকতে হবে।

ধারা-২৩: তলবি সভা

ক) এটি একটি সাধারণ সভা, যেখানে কেবলমাত্র একটি আলোচ্যসূচি থাকবে।

খ) কোনো সাধারণ সদস্য/জীবন সদস্য সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে তলবি সভা আহ্বান করতে চাইলে অ্যাসোসিয়েশনের ৫১% সদস্যের (সাধারণ সদস্য/জীবন সদস্য) স্বাক্ষরসহ নির্বাহী কমিটির সভাপতি বরাবর আবেদন করবেন। আবেদনপ্রাপ্তির পর বিশেষ সাধারণ সভার বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে তলবি সভা আহ্বান করা যাবে। তলবি সভায় উপস্থিত মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের ভিত্তিতে বিষয়টির ওপর সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

গ) তলবিপত্র পাওয়ার তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে সভা না আহ্বান করলে তলবি সভার জন্য পত্রে দস্তখতকারীরা নিজেরাই যথাযথ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেবল সেই নির্দিষ্ট বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য সভা আহ্বান করতে পারবে এবং উপস্থিত সদস্যদের তিন-চতুর্থাংশ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে ।

ঘ) একইভাবে নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে তলবি সভা আহ্বান করতে চাইলে নির্বাহী কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরসহ নির্বাহী কমিটির সভাপতি বরাবর আবেদন করবেন। তলবি সভার আবেদনপ্রাপ্তির পর সাধারণ সভার বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে তলবি সভা আহ্বান করা যাবে। তলবি সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে বিষয়টির ওপর সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

ধারা-২৪ : সাধারণ সভার কোরাম

ক) সাধারণ সভার প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা তথা কোরাম হবে ন্যূনপক্ষে ১০০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে।

খ) নির্দিষ্ট তারিখে সভার জন্য নির্ধারিত সময়ের আধঘণ্টার মধ্যে যদি প্রয়োজনীয়সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না হন এবং অন্য কোনো ঘোষণা না থাকে, তবে উক্ত সাধারণ সভা মুলতবি বলে গণ্য হবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে একই দিনে, একই সময়ে ও একই স্থানে (অথবা একই স্থান পাওয়া না গেলে প্রয়োজনে অন্য কোনো স্থানে) একই আলোচ্যসূচি নিয়ে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হবে।

গ) মুলতবি সভার পরবর্তী সপ্তাহের অধিবেশনের জন্য নির্ধারিত সময়ের আধঘণ্টার মধ্যে সদস্যদের প্রয়োজনীয় উপস্থিতি না থাকলেও উপস্থিত সদস্যদের নিয়েই সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই ক্ষেত্রে সভায় প্রয়োজনীয় উপস্থিতি আছে বলে বিবেচিত হবে। সাধারণ সভা যদি সদস্যদের তলবি সাধারণ সভা হয়, তবে অনুপস্থিতির কারণে ওই সভা বাতিল বলে গণ্য হবে।

ঘ) মুলতবি সভায় নতুন কোনো আলোচ্যসূচি গ্রহণ করা যাবে না।

ধারা-২৫ : কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

ক) সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে মহাসচিব এক সপ্তাহের (৭ দিন) নোটিশে নির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করতে পারবেন।

খ) কার্যনির্বাহী কমিটির এক-তৃতীয়াংশ সদস্য নির্বাহী কমিটির সভার জন্য প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা বলে গণ্য হবে।

গ ) কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থন বা ভোটে গৃহীত হবে।

ঘ) নির্বাহী কমিটির সভার সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচি সভার নোটিশের সাথে থাকতে হবে।

ধারা-২৬ : উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা

ক) নির্বাহী কমিটির অনুরোধে অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে উপদেষ্টামণ্ডলীর পরামর্শ ও সুপারিশ গ্রহণে নির্বাহী কমিটি উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা আয়োজন করতে পারে।

খ) উপদেষ্টামণ্ডলী নির্বাহী পরিষদের অনুরোধে প্রতি ৬ (ছয়) মাসে একবার মিলিত হতে পারেন।

গ) সভাপতির পরামর্শক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব উপদেষ্টামণ্ডলীর সভার আলোচ্যসূচি, স্থান, তারিখ নির্ধারণপূর্বক সভার নোটিশ গঠনতন্ত্রে উল্লিখিত উপায়ে দুই সপ্তাহের (১৪ দিন) নোটিশে উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা আহ্বান করতে পারবেন।

ঘ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় সভাপতিত্ব করবেন নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী কমিটির মহাসচিব।

ঙ) নির্বাহী কমিটির অনুরোধে অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে উপদেষ্টামণ্ডলীর পরামর্শ ও সুপারিশ নির্বাহী কমিটিতে আলোচিত হয়ে যথাযথ কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

চ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

ধারা-২৭ : বিভিন্ন উপকমিটির সভা

ক) অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে নির্বাহী কমিটি কর্তৃক সৃষ্ঠ বিভিন্ন উপকমিটি সভার আলোচ্যসূচি, স্থান, তারিখ নির্ধারণপূর্বক উপকমিটির চেয়ারম্যানের সাথে পরামর্শ করে উপকমিটির সদস্যসচিব, দুই সপ্তাহের (১৪ দিন) নোটিশে উপকমিটির সভা আহ্বান করতে পারবে।

খ) সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

গ) উপকমিটির গৃহীত সিদ্ধান্ত নির্বাহী কমিটিকে বিবেচনার জন্য জানানো হবে।

ধারা-২৮ : নির্বাচন কমিশন সভা

ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমপক্ষে এক সপ্তাহের (৭ দিন) নোটিশে কমিশনের সভা আহ্বান করতে পারেন।

খ) সভার আলোচ্যসূচি, স্থান ও তারিখ নোটিশের সাথে পাঠাতে হবে।

গ) নির্বাহী কমিটির দপ্তরসচিব এই সভা আয়োজনের সমস্ত ব্যবস্থা নেবেন।

ধারা-২৯ : নির্বাহী কমিটি বিবেচিত ও নির্ধারিত সভা এবং মতবিনিময় সভা

ক) সভাপতির পরামর্শক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এই ধরনের সভার আয়োজন করতে পারেন।

খ) এই ধরনের সভার আলোচ্য বিষয় নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচিত হবে এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

ধারা-৩০ : পৃষ্ঠপোষকমণ্ডলী

ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় পদাধিকারবলে অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক থাকবেন ।

খ) উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয় পদাধিকারবলে অ্যাসোসিয়েশনের পৃষ্ঠপোষক থাকবেন।

গ) প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটি অন্য কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মনোনীত করবে এবং পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদকে অবহিত করবে।

ধারা-৩১ : উপদেষ্টামণ্ডলী

ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া, সাহিত্য, সংস্কৃতি বিকাশে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কিংবা বর্তমান শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী যাঁরা দেশ গঠনের বিভিন্নক্ষেত্রে এবং মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, সমাজের বরেণ্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তি যাঁরা অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন, তাঁদেরই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া যাবে।

খ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হবে সর্বাধিক ২১ জন ।

গ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য প্রাথমিকভাবে নির্বাহী কমিটি মনোনীত করবে এবং পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদকে অবহিত করা হবে।

ঘ) প্রথম সভার তারিখ হতে উপদেষ্টামণ্ডলীর মেয়াদ হবে ৩ (তিন) বছর।

ধারা-৩২ : কার্যনির্বাহী কমিটি

ক) ‘অ্যাসোসিয়েশনের’ ৫১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি থাকবে।

খ) অ্যাসোসিয়েশনের ভোটার তালিকায় তালিকাভুক্ত সদস্যই কার্যনির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হবেন এবং সংবিধানের ৩৬ ধারা অনুসারে কিংবা পরবর্তীতে অন্য কোনো সংশোধন না হলে বার্ষিক সাধারণ সভায় পরবর্তী কর্মকর্তারা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

গ) কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে তিন বছর বলবৎ থাকবে । তবে এই গঠনতন্ত্র মোতাবেক অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহিী কমিটির নির্বাচন ৩১ ডিসেম্বর ২০২১-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

ঘ) কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে তিন বছর বলবৎ থাকবে। এই গঠনতন্ত্র মোতাবেক অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন এখন থেকে প্রতিবছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ বছরের অডিটেড রিপোর্ট সম্পন্নের ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু শর্ত থাকে যে, এই সময়সীমা কোনোক্রমেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনের বছরের পরবর্তী বছরের ৩০ এপ্রিল অতিক্রম করা যাবে না। নির্বাচন কমিশন সেই অনুযায়ী নির্বাচনে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা ঘোষণা করবেন। নতুন কমিটি অনূর্ধ্ব ২১ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের উপস্থিতিতে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং পূর্বতন কমিটি সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ঙ) যদি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তবে সভাপতি একজন আহ্বায়কসহ পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে পারবেন। এই অ্যাডহক কমিটি ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করবে। পরবর্তী কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত বলে ঘোষণা দেওয়ার পর অবশ্যই ১৫ দিনের মধ্যে যথাযথ ইনভেনটরি বিবরণসহ দায়িত্বভার প্রদান ও গ্রহণ করতে হবে।

দৈব কারণে, প্রাকৃতিক ও রাজনৈতিক কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যাডহক কমিটি সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত সময় নিতে পারবে।

চ) কার্যনির্বাহী কমিটির এক-তৃতীয়াংশ সদস্য নির্বাহী কমিটির সভার জন্য প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা বলে গণ্য হবে।

ছ) কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থন বা ভোটে গৃহীত হবে ।

জ) কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যূনতম সাতজন নারী সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ঝ) কার্যনির্বাহী কমিটি ৫১ সদস্যবিশিষ্ট হবে এবং সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবে। নির্বাচিত ৫১ জন নির্বাহী সদস্য নিজেদের ভেতর আলোচনা/নির্বাচন করে কার্যনির্বাহী কমিটি ‘পদাধিকারী সদস্য’ মনোনীত/নির্বাচিত করবে এবং সাধারণ সদস্যদের অবহিত করবে।

ঞ) কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যূনতম সাত জন নারী সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ৪৪টি পদের জন্য নির্বাচন বিধি মোতাবেক বৈধ যেকোনো সদস্য নির্বাচনী প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।

ট) নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সাতটি পদের জন্য নির্বাচন বিধি মোতাবেক বৈধ শুধুমাত্র নারী সদস্য নির্বাচনী প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।

ঠ) কোনো কারণে নারী সদস্যদের জন্য নির্ধারিত সাতটি পদের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক নারী সদস্য নির্বাচনে অংশ না নিলে যে কয়জন অংশ নেবেন, তাঁদের সকলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

ড) নির্বাহী কমিটির নির্বাচন শেষে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যূনতম সাতজন নারী সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অবশিষ্ট পদে নারী সদস্যদের কো-অপট করা হবে । সাতজন নারী সদস্য নিশ্চিত করার পরও যদি কোনো পদ খালি থাকে, তবে নির্বাহী কমিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিধি মোতাবেক বৈধ অন্য যেকোনো সদস্যকে কো-অপট করতে পারবে এবং পরবর্তী সাধারণ সভায় সেটা অবহিত করবে।

ঢ) কো-অপট করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নারী সদস্য না পাওয়া গেলে নির্বাহী কমিটি নির্বাচন অংশ নেওয়ার বিধি মোতাবেক বৈধ অন্য যেকোনো সদস্যকে কো-অপট করতে পারবে এবং পরবর্তী সাধারণ সভায় সেটা অবহিত করবে।

ণ) ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নর-নারীর আনুপাতিক হার বিবেচনায় নিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যূনতম নারী সদস্যের অন্তর্ভুক্তি সংখ্যা নিশ্চিত করতে হবে।

ধারা-৩৩ : কার্যনির্বাহী কমিটির পদবিন্যাস

কার্যনির্বাহী কমিটির ৫১ জন সদস্যের ‘পদাধিকার’ :

সভাপতি

:

১ জন

সিনিয়র সহসভাপতি

:

১ জন

সহসভাপতি

:

২ জন

মহাসচিব

:

১ জন

যুগ্ম মহাসচিব

:

২ জন

কোষাধ্যক্ষ

:

১ জন

যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ

:

১ জন

সাংগঠনিক সচিব

:

১ জন

যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব

:

১ জন

শিক্ষা, পাঠাগার ও গবেষণা সচিব

:

১ জন

যুগ্ম শিক্ষা, পাঠাগার ও গবেষণা সচিব

:

১ জন

সাহিত্য ও সংস্কৃতি সচিব

:

১ জন

যুগ্ম সাহিত্য ও সংস্কৃতি সচিব

:

১ জন

প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সচিব

:

১ জন

যুগ্ম প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সচিব

:

১ জন

ক্রীড়া সচিব

:

১ জন

যুগ্ম ক্রীড়া সচিব

:

১ জন

দপ্তর ও আইটি সচিব

:

১ জন

যুগ্ম দপ্তর ও আইটি সচিব

:

১ জন

কল্যাণ ও উন্নয়ন সচিব

:

১ জন

যুগ্ম কল্যাণ ও উন্নয়ন সচিব

:

১ জন

আন্তর্জাতিক সচিব

:

১ জন

যুগ্ম আন্তর্জাতিক সচিব

:

১ জন

নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য

:

২৬ জন

অ্যাসোসিয়েশনের নিজ স্বার্থে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী নতুনভাবে পদসমূহ পুণর্বিন্যাস করতে পারবে এবং সাধারণ সভায় অবহিত করবে।

আইটি :ইনফরমেশন টেকনোলজি

ধারা-৩৪ : কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব

ক) শূন্য পদ/নৈমিত্তিক শূন্য পদে সদস্য/কর্মকর্তা নিয়োগ দান;

খ) কমিটির মধ্য থেকে নৈমিত্তিক শূন্য পদে কর্মকর্তা নির্বাচন;

গ) কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কমিটির ভেতরের অথবা বাইরের সদস্যদের নিয়ে স্টান্ডিং কমিটি ও সাব-কমিটি গঠন; তবে শর্ত থাকে যে, এ ধরনের কমিটি স্ট্যান্ডিং কমিটির বিবেচনার জন্য বিষয়াবলি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হবে এবং তাতে এক বা একাধিক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন; সাব-কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে যেকোনো একজন চেয়ারম্যান/আহ্বায়ক হবেন এবং একজন সদস্য কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে কাজ করবেন। গঠিত কমিটি শুধুমাত্র নির্ধারিত বিষয়বলির জন্যই কাজ করবে;

ঘ) গঠনতন্ত্র ও বিধিসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এমন সব সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে পারবে, যা গঠনতন্ত্র ও বিধির পরিপন্থি নয় অথচ স্পষ্টভাবে গঠনতন্ত্র ও বিধিসমূহে লিপিবদ্ধ নেই।

ঙ) নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে;

চ) হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ করবে;

ছ) অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক ইহার সার্বিক উন্নয়ন ও উদ্দেশ্য সফল করার জন্য কাজ করবে;

জ) কার্যনির্বাহী কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা ও জরুরি সাধারণ সভার সময়, তারিখ, স্থান ইত্যাদি নির্ধারণ করবে;

ঝ) অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় খরচ অনুমোদন করবে;

ঞ) উপদেষ্টামণ্ডলী ও পৃষ্ঠপোষকমণ্ডলী মনোনীত এবং এর সংখ্যা নির্ধারণ করবে;

ট) অ্যাসোসিয়েশনের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনবোধে বিশেষ উপকমিটি গঠন করবে;

ঠ) অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করবে; বার্ষিক বাজেট অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করবে এবং জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ সাধারণ সভা কিংবা বিশেষ সাধারণ সভায় বিশেষ বাজেট অনুমোদনের জন্য পেশ করতে পারে।

ড) অ্যাসোসিয়েশনের কর্মচারী নিয়োগ ও নিয়োগের শর্তাদি অনুমোদন করবে;

ঢ) সকল নতুন সদস্যের আবেদনপত্র বিবেচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদন করবে;

ণ) ‘সদস্য ফি’ কার্যনির্বাহী কমিটির সুপারিশক্রমে বার্ষিক সভা কর্তৃক নির্ধারিত হবে;

ত) সাধারণ সভা/বার্ষিক সাধারণ সভা/তলবি সভা/বিশেষ সাধারণ সভা ঢাকায় প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দুটি জাতীয় দৈনিক (একটি হবে বাংলা) পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সভার নোটিশ ইমেইলে পাঠাতে হবে ( যাঁদের ইমেইল ঠিকানা সদস্য তথ্য হিসেবে লিখিত থাকবে ) এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ( কেবলমাত্র সভার তারিখ, স্থান ও সময় ) জানাতে হবে। এরূপ নোটিশে তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। এই নোটিশ উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কমপক্ষে ১৫ দিন আগে প্রকাশ করতে হবে এবং পাঠাতে হবে। এ ছাড়াও নোটিশটি অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজে এবং অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হবে ।

থ) কার্যনির্বাহী কমিটির নৈমিক্তিক শূন্য পদ ও বিশেষ বৈঠকে সৃষ্ট নতুন পদসমূহ পূরণের দায়িত্ব কমিটির হাতে ন্যস্ত থাকবে, এভাবে শূন্য পদের মনোনীত/নির্বাচিত সদস্য/কর্মকর্তা পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত স্বীয় পদে আসীন থাকবেন এবং এর মূল পদের বিষয়টি অ্যাজেন্ডাভুক্ত করে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনের ভিত্তিতে অনুরূপ শূন্য পদ পূরণ করতে হবে ।

দ) তাঁদের ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য সুষ্ঠুরূপে সম্পাদনের জন্য উপবিধি প্রণয়ন করতে পারবে। তবে উক্ত উপবিধি গঠনতন্ত্রের সাথে অসামঞ্জস্য এবং অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হতে পারবে না। আরও শর্ত থাকে যে, কার্যনির্বাহী কমিটি প্রণীত উপবিধি পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।

ধ) অ্যাসোসিয়েশনের সুষ্ঠু বিকাশের লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, কোনো দান গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কোনো কিছু লিজ বা ভাড়া গ্রহণ করতে পারবে। তবে সংগঠনটির কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।

ধারা-৩৫ : কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের

দায়িত্ব

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব:

১. সভাপতি:

ক) অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান হবেন ;

খ) তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করবেন ;

গ) তিনি সভার প্রস্তাবাবলি ও সিদ্ধান্তবলি অনুমোদন করবেন; অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ বার্ষিক রিপোর্ট আকারে সাধারণ সভায় পেশের জন্য জানুয়ারি – ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ বছরের জন্য তৈরি করে দেবেন এবং বার্ষিক অডিট করাবেন। প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক একটি বিশেষ সময়কালের হিসাব-নিকাশ অডিট করাতে পারবেন এবং সাধারণ সভায় তা পেশ করতে পারবেন।

ঘ) প্রয়োজনবোধে তিনি গঠনতন্ত্রের যেকোনো ধারা, উপধারার ব্যাখ্যা/সিদ্ধান্ত দেবেন এবং তা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে;

ঙ) সমানসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে কাস্টিং ভোট দিতে পারবে ;

চ) জরুরি প্রয়োজনে ন্যূনপক্ষে চব্বিশ ঘণ্টার নোটিশে যেকোনো সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ডাকতে পারবেন;

ছ) অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে যেকোনো দায়িত্ব পালনসহ নতুন নতুন গঠনমূলক কর্মসূচি গ্রহণপূর্বক কার্যনির্বাহী কমিটিকে অবহিত করবেন ।

২. সহসভাপতি

ক) সাধারণভাবে সভাপতিকে সার্বিক কাজে সহায়তা করবেন ;

খ) সভাপতির অনুপস্থিতিতে সিনিয়র সহসভাপতি অথবা তাঁর অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে সহসভাপতিরা অ্যাসোসিয়েশনের সভায় সভাপতিত্ব করবেন ;

গ) মেয়াদ পূর্তির আগে কোনো কারণে সভাপতির পদ শূন্য হলে সিনিয়র সহসভাপতি এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। সহসভাপতির অনুপস্থিতিতে কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্যকে উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য নির্বাচন করা যাবে।

৩. মহাসচিব:

ক) অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ;

খ) সভাপতির পরার্শক্রমে সভার আলোচ্যসূচি নির্ধারণপূর্বক তিনি অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় সভা আহ্বান করবেন ;

গ) সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করবেন ;

ঘ) সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন এবং বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও অডিট রিপোর্ট কার্যনির্বাহী কমিটিতে ও সাধারণ সভায় পেশ করবেন;

ঙ) সভাপতির পরামর্শক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সরকারি, বেসরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন ;

চ) অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে প্রয়োজনীয় যেকোনো অনুমোদিত দলিল ও চুক্তিতে তিনি স্বাক্ষর করবেন। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ ক্ষেত্রে সভাপতি এ ধরনের চুক্তি কিংবা দলিলসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করতে পারবেন;

ছ) সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে বিভাগীয় সচিব ও নির্বাহী সদস্যদের কার্যাবলি সমন্বয় করবেন ;

জ) সচিবদের তাঁদের নিজ নিজ দপ্তরের কার্যাবলি সম্পাদন করার জন্য উপদেশ ও পরামর্শ দিতে পারবেন।

ঝ) সভাপতির অনুমোদনক্রমে মহাসচিব অ্যাসোসিয়েশনের কর্মচারী নিয়োগ, বরখাস্ত, বেতন বৃদ্ধি, ছুটি মঞ্জুর ও যৌক্তিক পর্যায়ে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবেন;

ঞ) নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক রিপোর্ট/রিটার্ন দাখিল করবেন ;

ট) কমিটির অনুমোদনক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন;

ঠ) সভাপতির পরামর্শক্রমে মহাসচিব সাত দিনের নোটিশে কিংবা প্রয়োজনানুসারে জরুরি অন্যান্য সভাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভা আহ্বান করবেন ;

৪. কোষাধ্যক্ষ:

ক) অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের জন্য তা পেশ করবেন ;

খ) নির্ধারিত ব্যাংকে অ্যাসোসিয়েশনের টাকা রাখার বিধিমতো ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ;

গ) অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ বার্ষিক রিপোর্ট আকারে সাধারণ সভায় পেশের জন্য সময়মতো তৈরি করে দেবেন এবং বার্ষিক অডিট করাবেন;

ঘ) অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে বাস্তবায়ন করবেন ;

ঙ) সদস্যদের চাঁদা ও অন্যান্য অনুদান আদায়ের ব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন;

চ) চাঁদা আদায়ের রসিদ বই, আদায়কৃত অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার বই, চেক বই, অ্যাসোসিয়েশনের সকল প্রকার হিসাবপত্র, বিল-ভাউচার ও হিসাবসংক্রান্ত অন্যান্য সকল কাগজপত্র তার তত্ত্বাবধানে থাকবে ;

ছ) তিনি অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় ব্যয় যথাসম্ভব চেকের মাধ্যমে সম্পাদন করবেন ;

জ) অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি ব্যয় নির্বাহের জন্য মহাসচিবের জ্ঞাতসারে তিনি সর্বোচ্চ ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা নিজের কাছে নগদ রাখতে পারবেন।

ঝ) প্রচলিত হিসাববিজ্ঞানের সকল আধুনিক হিসাবরক্ষণ নীতি অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যা কোষাধ্যক্ষের তদারকিতে পরিচালিত হবে।

ঞ) আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ সভায় অনুমোদনের এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার ব্যবস্থা করবেন।

৫. যুগ্ম মহাসচিব

ক) যুগ্ম মহাসচিবেরা অ্যাসোসিয়েশনের কার্যে মহাসচিবকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা ও সহায়তা করবেন এবং প্রয়োজনে মহাসচিব কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন । প্রত্যেক সভায় কার্যাবলির খসড়া মহাসচিবের নিকট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পেশ করবেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় অফিস রেকর্ড ইত্যাদি যথেষ্টভাবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। দুই যুগ্ম মহাসচিবের মধ্যে মহাসচিব কর্তৃক বণ্টনকৃত দায়িত্ব পালন করবেন ;

খ) মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

৬. সাংগঠনিক সচিব:

ক) তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক কার্যকলাপ পরিচালনা করবেন ;

খ) সভাপতি ও মহাসচিবের সাথে তিনি সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন;

গ) অ্যাসোসিয়েশনকে শক্তিশালী করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালাবেন;

ঘ) অ্যাসোসিয়েশনের শাখা গঠনের বিষয়ে তিনি মতামত দেবেন ও কার্যনির্বাহী কমিটিতে অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।

৭. শিক্ষা, পাঠাগার ও গবেষণা সচিব :

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সাময়িকী/মুখপত্র, পুস্তক প্রকাশনা, ই-বুকসহ যাবতীয় প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজনে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সচিবের সাথে সমন্বয়পূর্বক সাহিত্যবিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

৮. সাহিত্য ও সংস্কৃতি সচিব:

অ্যাসোসিয়েশনের সকল বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, যেমন সংগীত, নাটক, নৃত্য ইত্যাকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন ও কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং প্রয়োজনে শিক্ষা, পাঠাগার ও গবেষণাসচিবের সাথে সমন্বয়পূর্বক সাহিত্যবিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

৯. প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সচিব:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের মধ্যে অত্র অ্যাসোসিয়েশনের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও চলতি কর্মসূচিসমূহ প্রচার ও জনপ্রিয় করার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান/কর্মসূচির আয়োজন করবেন এবং এ উদ্দেশ্যে প্রচারপত্র, পোস্টার, লিফলেট ও পুস্তিকা ইত্যাদি প্রকাশের ব্যবস্থা করবেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের অনুকূলে সকল কার্যক্রম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচারের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিশেষ বাহক মারফত, ডাকযোগে, খবরের কাগজের মাধ্যমে, ইমেইল, মোবাইল ফোনের মেসেজের মাধ্যমে এবং অন্য কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের নিকট নোটিশ প্রেরণ করবেন।

১০. ক্রীড়া সচিব :

ক্রীড়াবিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন।

১১. দপ্তর ও আইটি সচিব :

মহাসচিবের সাথে পরামর্শক্রমে দপ্তর সচিব অ্যাসোসিয়েশনের সকল দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করবেন, আইটিবিষয়ক সকল দায়িত্ব পালন করবেন এবং অ্যাসোসিয়েশনের সকল রেকর্ডপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রমের পরিসংখ্যান ও রিপোর্ট তৈরি করবেন এবং তা সংরক্ষণ করবেন ।

সভাপতির পরামর্শক্রমে মহাসচিব যেকোনো সভা আহ্বান করলে সভার নোটিশ গঠনতন্ত্রের আলোকে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যকে অবহিত করা দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব হবে।

১২. কল্যাণ ও উন্নয়ন সচিব :

মহাসচিবের সাথে পরামর্শক্রমে কল্যাণ ও উন্নয়নসচিব অ্যাসোসিয়েশনের সকল কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন এবং এতৎসংক্রান্ত অ্যাসোসিয়েশনের সকল রেকর্ডপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিসংখ্যান ও রিপোর্ট তৈরি করবেন এবং তা সংরক্ষণ করবেন।

১৩ . আন্তর্জাতিকবিষয়ক সচিব:

মহাসচিবের সাথে পরামর্শক্রমে আন্তর্জাতিকবিষয়ক সচিব অ্যাসোসিয়েশনের সকল আন্তর্জাতিকবিষয়ক কাজ সম্পন্ন করবেন এবং এতৎসংক্রান্ত অ্যাসোসিয়েশনের সকল রেকর্ডপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

১৪. যুগ্ম সচিব (বিভিন্ন দপ্তরের যুগ্ম সচিব)

ক) যুগ্ম সচিবেরা অ্যাসোসিয়েশনের কার্যে দপ্তরের সচিবকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা ও সহায়তা করবেন এবং প্রয়োজনে সচিব কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন। নিজ দপ্তরের সভার কার্যাবলির খসড়া সচিবের নিকট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পেশ করবেন।

খ) সচিবের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সচিব সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

১৫ . কার্যনির্বাহী সদস্য:

ক) সভাপতি ও সহসভাপতিদের অনুপস্থিতিতে সংস্থার সভায় উপস্থিত জ্যেষ্ঠ সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

খ) মহাসচিব বা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব পালন করবেন।

গ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম পরিচালনায় সর্ব প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করবেন ।

ধারা-৩৬ : কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন

কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন:

ক) সাধারণ ও জীবন সদস্যদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে কিংবা সর্বসম্মতিক্রমে একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হবে।

খ) কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন পূর্বে সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন পাঁচজন সদস্যের সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন, যেখানে কমপক্ষে দুইজন নারী সদস্য থাকবেন এবং উক্ত কমিশনের একজন সদস্যকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগদান করবেন।

গ) নির্বাচন কমিশন কার্যনির্বাহী কমিটির সহযোগিতায় বিধি মোতাবেক ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করবেন।

ঘ) বিধি মোতাবেক মনোনয়নপত্রের মূল্য নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের অন্তত এক মাস পূর্বে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবেন।

ঙ) অ্যাসোসিয়েশনের সকল বৈধ ও নির্দিষ্ট প্রকারের (যাঁর জন্য প্রযোজ্য) সদস্য ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। তবে নির্বাচন কমিশন গঠনের ৩০ দিনের মধ্যে যাঁরা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত হবেন, কেবল তাঁরাই নির্বাচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

চ) নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে তাঁকে অবশ্যই ভোটার হতে হবে।

ছ) নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে তাঁদের ভোটাধিকার থাকবে।

জ) প্যানেলে যুক্তভাবে অথবা স্বতন্ত্রভাবে যেকোনো পদের জন্য যেকোনো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে এক ব্যক্তি যুগপৎ একের অধিক পদে প্রার্থী হতে পারবেন না।

ঝ) নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের রায়ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ঞ) কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হওয়ার কমপক্ষে ৩০ দিন পূর্বে নির্বাচন সম্পন্ন করে ফলাফল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ২১ দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি, নির্বাচন কমিটির উপস্থিতিতে/লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে অডিট ও ইনভেনটরিসহ দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন।

গঠিত নির্বাচন কমিশন নির্বাহী কমিটি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং শুনানি-অন্তে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবেন।

(চ) নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয়সংখ্যক রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করতে পারবেন।

(ছ) নির্বাচন কমিশন চলমান নির্বাহী কমিটির মেয়াদ পূর্তির আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবেন।

(জ) নির্বাচন কমিশনার তফসিল অনুসারে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ও ছবিসহ মানসম্মত ব্যালট প্রস্তুত করবেন।

(ঝ) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মনোনয়নপত্র প্রযোজ্য ফি আদায় সাপেক্ষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত যেকোনো সদস্যের নিকট বিক্রি করতে পারবেন।

(ঞ) নির্বাচনের যাবতীয় ব্যয় মনোনয়নপত্র বিক্রির টাকা থেকে এবং প্রয়োজনে অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল থেকে নির্বাহ হবে ।

(ঠ) প্রার্থী কিংবা প্রার্থীর এজেন্টের উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা করা হবে।

(ড) ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।

(ঢ) ভোট সমাপ্তির পর প্রার্থী বা প্রার্থীর এজেন্টের উপস্থিতিতে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে হবে।

(ণ) কোনো ক্ষেত্রে একই পদে দুজন প্রার্থীর ভোট সমান হলে নির্বাচন কমিশন লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করবে।

(ত) ভোটার সদস্য, ভোট প্রদানের সময় প্রয়োজনীয়সংখ্যক প্রার্থীকে (৫১ জন) ভোট না দিলে সে ব্যালট পেপারটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

দ) নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাহী কমিটির সাথে আলোচনা করে যেকোনো আধুনিক পদ্ধতি যেমন ই-ভোট, ইভিএম এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে ভোট গ্রহণ করতে পারবেন।

ধ) নির্বাহী কমিটির সাথে আলোচনা করে অ্যাসোসিয়েশনের ধারা এবং বিধির সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন কোনো নীতিমালা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপস্থাপন করতে পারবেন ।

ধারা-৩৭ : অনাস্থা প্রস্তাব

অনাস্থা প্রস্তাব:

ক) কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য কোনো একজন সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের কমপক্ষে ৫১% সদস্যের (সাধারণ সদস্য/জীবন সদস্য) স্বাক্ষরসহ নির্বাহী কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিতভবে নোটিশ প্রদান করবেন। নোটিশপ্রাপ্তির পর সভাপতি তলবি সভা আহ্বান করবেন। এক্ষেত্রে সভায় মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হবে।

খ) অনাস্থা প্রস্তাব পাস হলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের অথবা শূন্য পদ পূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

গ) অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশপ্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সভাপতি সাধারণ সভা আহ্বান না করলে অনাস্থা প্রস্তাবকারীরা নিজেরাই সাত দিনের নোটিশে তলবি সভা আহ্বান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হলে উক্ত সভায় কমপক্ষে পাঁচজন সদস্যের একটি অন্তবর্তীকালীন বা কেয়ারটেকার কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ধারা-৩৮ : পদত্যাগ

কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো কর্মকর্তা/সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি কারণ উল্লেখপূর্বক সভাপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পেশ করবেন। নির্বাহী কমিটি সভাপতি পদত্যাগ করতে চাইলে মহাসচিব বরাবর তাঁর পদত্যাগপত্র পেশ করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করা যাবে । এ বিষয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-৩৯ : অব্যাহতি

কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সদস্য দ্বারা অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত কাজ বা দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়, কিংবা কমিটির কোনো সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত হলে তাঁকে ৭ দিনের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে তাঁর জবাবপ্রাপ্তির পর উপকমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে কার্যনির্বাহী কমিটি অব্যাহতির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। পরবর্তীকালে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে উক্ত কর্মকর্তা বা সদস্যকে নিজ দায়িত্ব থেকে বা নির্বাহী কমিটির কার্যপ্রণালিতে অংশ নেওয়ার জন্য স্থগিতাদেশ দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে সাধারণ সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে এবং অব্যাহতির বিষয়ে সাধারণ সভা কর্তৃক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

ধারা-৪০ : তহবিল

ক) তহবিলসহ সকল সম্পত্তি অ্যাসোসিয়েশনের নামে অর্জিত, স্বীকৃতি ও পরিচালিত হবে এবং তা অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্বে থাকবে । ধারা ৪৩ মোতাবেক অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল গঠিত হবে। অ্যাসোসিয়েশনের এই তহবিলের অর্থ কার্যনির্বাহী কমিটি প্রথমত যেকোনো সরকারি তফসিলী ব্যাংকে, তারপরে বেসরকারি তফসিলি ব্যাংকে (ব্যাংকসমূহে অথবা ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পে অথবা লিজিং কোম্পানি, প্রতিরক্ষা সঞ্চয়পত্র কিংবা অধিকতর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে এবং প্রথম সারির বিবেচনা করে) জমা রাখবেন। তবে বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সমস্ত তহবিলের অবস্থান অবহিত করতে হবে।

খ) সম্মানিত অ্যালামনাই ও বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক অ্যাসোসিয়েশনের ফাণ্ডে প্রদত্ত/প্রদেয় অর্থের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করাপূর্বক সংশ্লিষ্ট সবাইকে অধিকতরভাবে আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি এন্ডাউমেন্ট ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট গঠন করা হবে, যা একটি ম্যানেজমেন্ট বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি প্রস্তাবিত এন্ডাউমেন্ট গঠন প্রণালি, উদ্দেশ্য ও পরিচালনা নীতিমালা এবং অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত করবে।

ধারা-৪১ : তহবিলসমূহ

ক) নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অর্জিত অর্থ বিশেষ তহবিলে জমা রাখতে হবে।

খ) সকল সদস্য/জীবন সদস্যের চাঁদা একটি নির্দিষ্ট বিশেষ (লাভজনক) তহবিলে জমা হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি চলতি বছরের এই খাতে অর্জিত চাঁদার অনধিক শতকরা ৫০ ভাগ লাভজনক স্থায়ী আমানত হিসাবে স্থানান্তর করতে পারবে (স্থায়ীভাবে অথবা সাময়িকভাবে)।

গ) অ্যাসোসিয়েশনের সকল আয় হিসাব পরিচালনার সুবিধার্থে এবং সদস্যদের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পৃথক হিসাব নম্বরে প্রবেশ ফি, বার্ষিক চাঁদা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের চাঁদা ও বিবিধ সূত্রে প্রাপ্ত অর্থসমূহ ধারা ৪১ অনুযায়ী নির্ধারিত তফসিলি ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকবে। যেটা বিধি মোতাবেক পরিচালিত হবে।

ঘ) সকল সদস্যকে (যেখানে প্রযোজ্য) প্রত্যেক বছরের বার্ষিক চাঁদা অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে অগ্রিম প্রদান করতে হবে।

ধারা-৪২ : বিনিয়োগ

অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে কার্যনির্বাহী কমিটি সমীচীন মনে করলে বিভিন্ন তহবিলের টাকা সরকারি সিকিউরিটি, সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোনো লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে ৪১ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত তফসিলি ব্যাংকে/আর্থিক প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ হবে।

ধারা-৪৩ : ব্যাংক হিসাব পরিচালনা

ক) অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাবসমূহ কোষাধ্যক্ষ এবং মহাসচিব অথবা সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।

খ) অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম বেগবান এবং মসৃণভাবে চলার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি দেশের প্রথম সারির যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবে ।

ধারা-৪৪ : হিসাব নিরীক্ষা

কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক নিয়োগকৃত পরবর্তীতে বার্ষিক সাধারণ সভা কর্তৃক অনুমোদনকৃত হিসাব নিরীক্ষকের দ্বারা হিসাব নিরীক্ষা করিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে কোষাধ্যক্ষ তা বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।

ধারা-৪৫ : গঠনতন্ত্রের সংশোধনী

গঠনতন্ত্র ও বিধি সংশোধনের প্রস্তাব কেবলমাত্র বার্ষিক সাধারণ সভায় অথবা এতদুদ্দেশ্যে আহূত বিশেষ সাধারণ সভায় বিবেচিত হবে ।

এরূপ প্রস্তাব কার্যনির্বাহী কমিটি বা যেকোনো সদস্য সংশোধনের জন্য উত্থাপন করতে পারবেন।

কোনো সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাব সভার কমপক্ষে ৬০ দিন পূর্বে নির্বাহী কমিটিকে পাঠাতে হবে এবং প্রস্তাবটি নির্বাহী কমিটিতে আলোচনাপূর্বক প্রথমে কার্যনির্বাহী কমিটিতে বিবেচিত হবে এবং কোনো সংশোধনী থাকলে তাদের মতামতসহ বিবেচনার জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা হবে।

এই গঠনতন্ত্রের কোনো ধারা, উপধারা বা শব্দের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, সংকোচন, সংযোজন বা রদবদলের প্রয়োজন হলে সাধারণ সভায় উপস্থিত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে তা সংশোধন করা যাবে ।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদিত সংশোধনী গৃহীত হওয়ার সাথে সাথে তা গঠনতন্ত্রের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

ধারা-৪৬ : বিলুপ্তি

কোনো সাধারণ সদস্য/জীবন সদস্য এই সুনির্দিষ্ট ‘বিলুপ্তি’ বিষয়ে প্রস্তাব পেশ করতে চাইলে অ্যাসোসিয়েশনের ৫১% সদস্যের (সাধারণ সদস্য/জীবন সদস্য) স্বাক্ষরসহ নির্বাহী কমিটির সভাপতি বরাবর আবেদন করবেন। আবেদনপ্রাপ্তির পর অ্যাসোসিয়েশনের বিলুপ্তির প্রস্তাব বার্ষিক সাধারণ সভায় অথবা এতদুদ্দেশ্যে আহূত বিশেষ সাধারণ সভায় অ্যাসোসিয়েশনের তিন-চতুর্থাংশ সদস্যের ভোটে গৃহীত হলে উক্ত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়ার পর অ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্ত হবে ।

ধারা-৪৭ : বিলুপ্ত অ্যাসোসিয়েশনের

সম্পত্তি

অ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্ত হলে, সাধারণ সভা কর্তৃক অন্য কোনো সিদ্ধান্ত না থাকলে অত্র অ্যাসোসিয়েশনের সকল দায়মুক্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে।

ধারা-৪৮ : নির্ভরযোগ্য পাঠ

বাংলায় এই গঠনতন্ত্রের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত থাকে যে বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

ধারা-৪৯ : গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা

এই গঠনতন্ত্রের একটি নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা সকলের কাছেই বোধগম্য হয়েছে মনে করতে হবে ; তবে শর্ত থাকে যে কোনো সদস্যের কাছে ব্যাখ্যা বুঝতে কিংবা কোনো বিরোধের ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত হিসাবে বিবেচ্য হবে।

ধারা-৫০ : অলিখিত বিষয়সমূহ

যে সকল বিষয় সম্পর্কে গঠনতন্ত্রে কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি, সে সকল বিষয়সমূহ নির্বাহী কমিটির সভায় এবং প্রয়োজনে সাধারণ সভায় উপস্থাপিত হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত বিষয়ের ওপর সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

ধারা-৫১ : আহ্বায়ক কমিটি

(ক) যেকোনো পরিস্থিতিতে সৃষ্ট আহ্বায়ক কমিটি, সাধারণ সভা আহ্বান করে গঠনতন্ত্র অনুমোদন এবং নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন না করা পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্ব পালন করবেন।

(খ) আহ্বায়ক কমিটি তার কার্যক্রমে বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তির সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নেবেন।

গ) আহ্বায়ক কমিটির মূল কাজ হবে নির্বাহী কমিটির হাতে অতি দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া।

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বিধিসমূহ

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র সঠিক ও সমুন্নত রাখার জন্য প্রথম সাধারণ সভায় অনুমোদিত প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা করার জন্য নিম্নলিখিত বিধিমালা গৃহীত হলো।

বিধি-১ : সদস্য

ধারা ১২ অনুসারে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হওয়ার যোগ্য এবং ইচ্ছুক ব্যক্তি সদস্য পদের জন্য নির্দিষ্ট ফরমে মহাসচিব বরাবর আবেদন করবেন।

বিধি-২ : সদস্য ফি

সদস্য ফি স্থায়ী আমানত হিসেবে বিবেচ্য হবে এবং অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খরচ করা যাবে না। তবে এর লভ্যাংশ অ্যাসোসিয়েশনের নানাবিধ কাজে ব্যবহার করা যাবে।

ক ) সাধারণ সদস্য পদের আবেদনপত্রের সাথে মোট ২ হাজার ২০০ টাকা প্রদান করতে হবে। এর পরের বছর থেকে সাধারণ সদস্যদের বার্ষিক ফি হিসেবে ১ হাজার ২০০ টাকা অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলে জমা দিতে হবে। সংবছরের অক্টোবর মাসের মধ্যে বার্ষিক ফি জমা দিয়ে প্রতিবছর সদস্য অধিকার হালনাগাদ করা যাবে । নির্বাচনের বছর এর ব্যতিক্রম হতে পারে নির্বাচন বিধি অনুসারে।

খ) জীবন সদস্য পদের আবেদনপত্রের সাথে এককালীন মোট পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে ।

গ) আর্থিক প্রণোদনা ( ডোনার মেম্বার ) সদস্য পদের আবেদনপত্রের সাথে এককালীন ১,০০,০০০/ (এক লাখ) টাকা বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আর্থিক প্রণোদনা (সদস্য) হওয়া যাবে।

ঘ ) সহযোগী সদস্য পদের আবেদনপত্রের সাথে এককালীন মোট পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে ।

বিধি-৩: বার্ষিক চাঁদা সময়

কোনো সাধারণ সদস্য বার্ষিক চাঁদা তৎবছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ না করলে সদস্য-সুবিধাদি ভোগের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। তবে শর্ত থাকে যে ৫০০ টাকা পুনঃপ্রবেশ ফি এবং বকেয়া বছরসমূহের জন্য নির্ধারিত দেয় চাঁদা পরিশোধ সাপেক্ষে সাধারণ সদস্য পদ পুনর্বহাল করা যাবে।

বিধি-৪ : সদস্য পদ বাতিল

কোনো সদস্যের আচরণ কার্যনির্বাহী কমিটির মতে সদস্য পদ বাতিলের যোগ্য বলে বিবেচিত হলে তাঁকে তাঁর সর্বশেষ প্রাপ্ত ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এবং ইমেইল ঠিকানায় সাত দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠাতে হবে। তার জবাব (যদি তিনি তা দেন) কার্যনির্বাহী কমিটির মতামতসহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সাধারণ সভায় উপস্থাপন করতে হবে। সাধারণ সভা কর্তৃক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সদস্য তাঁর সম্পর্কিত বিষয়ে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

বিধি-৫ : অর্থ ফেরত

সদস্য পদের জন্য দেয় ফি, বিভিন্ন দেয় চাঁদা কিংবা কোনো অনুদান কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।

বিধি-৬ : জীবন সদস্য

সাধারণ সদস্য থেকে জীবন সদস্য হতে হলে বিধি মোতাবেক ‘জীবন সদস্য ফি’ প্রদান করতে হবে।

বিধি-৭ : পৃষ্ঠপোষক

পৃষ্ঠপোষক নিয়োগের প্রস্তাব সাধারণ সভার বিবেচনার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক উপস্থাপিত হবে।

বিধি-৮ : সাধারণ সভায় উপস্থিতির

অধিকার

সব ধরনের সদস্য (প্রদেয় ফি দিয়ে হাল নাগাদ করা), পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে ও আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন। তবে সাধারণ সদস্য ও জীবন সদস্য ছাড়া কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে বা ভোট দিতে পারবেন না।

বিধি-৯ : সদস্য নোটিশ

মহাসচিব সাধারণ সভার অন্তত ৩০ দিন পূর্বে সদস্যদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সকল প্রকারের নোটিশ কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট পেশ করবেন এবং এই সব প্রস্তাব কার্যনির্বাহী সভা কর্তৃক বিবেচিত হলে তাহা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।

বিধি-১০ : সদস্য প্রস্তাব

যেকোনো সদস্য, সাধারণ সভায় আলোচনার জন্য, কার্যনির্বাহী কমিটির বিবেচনার জন্য প্রস্তাব আনতে পারবেন এবং এই প্রস্তাব তিনি সভাপতি ও মহাসচিব বরাবর চিঠি ও ইমেইল হিসেবে পাঠাতে পারবেন।

বিধি-১১: কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক

কার্যনির্বাহী কমিটি প্রতি দুই মাসে ন্যূনপক্ষে একবার বৈঠকে বসতে চেষ্টা করবে। কোনোভাবেই এই বৈঠক পরপর তিন মাস বাকি থাকতে পারবে না। এই বৈঠকের স্থান সভাপতি ও মহাসচিব সকলের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারণ করবেন। তবে উল্লেখ্য যে বছরে কমপক্ষে দুটি বৈঠক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজনের ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক ইমেইলের মাধ্যমে ডাকা যাবে এবং অতি প্রয়োজনে অনলাইন মিটিং ফরম্যাটে ( যেমন জুম, গুগল মিট ইত্যাদি বহুল প্রচলিত মিটিং ফরম্যাট ) ডাকা যাবে। তবে বৈঠক ফলপ্রসূ করতে ও উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এসএমএস এবং টেলিফোন করে ফলোআপ করতে হবে ।

বিধি-১২ : সভাপতিত্ব

সভাপতি সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কিন্ত তাঁর অনুপস্থিতিতে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং যদি তিনি বা সকল সহসভাপতি অনুপস্থিত থাকেন, সেক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য একজন কার্যনির্বাহী সদস্য বিবেচিত হবেন।

বিধি-১৩ : সভার বিবরণী

কার্যনির্বাহী কমিটির সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্ত নির্দিষ্ট খাতায় লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করতে হবে। সভার কার্যবিবরণী মহাসচিব পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করবেন এবং সংশ্লিষ্ট সভার সভাপতির অনুমোদন ও স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন। প্রয়োজনে সভার বিবরণ ইমেইল করা যাবে এবং স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণী পরবর্তীতে কমিটির সকলকে ইমেইল করা হবে।

বিধি-১৪ : মনোনয়নপত্র

ক) কার্যনির্বাহী কমিটির সকল নির্বাচন সাধারণ সভা কর্তৃক অনুমোদিত নির্ধারিত নিয়মে অনুষ্ঠিত হবে।

খ) নির্বাচন কমিশন নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচনে নিম্নলিখিত নির্ধারিত হারে মনোনয়নপত্র বিক্রি করবেন-

নির্বাহী সদস্য মনোনয়নপত্র : ২৫ হাজার টাকা এবং এই টাকা দুই ভাগে দেওয়া যাবে। মনোনয়নপত্র কেনার সময় ১০ হাজার টাকা এবং মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

বিধি-১৫ : প্রার্থীর সম্মতি

নির্বাচিত হলে অ্যাসোসিয়েশনের কল্যাণে কাজ করবেন- এই মর্মে নির্বাহী কমিটির প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্রের সাথে লিখিত সম্মতি জ্ঞাপন করতে হবে।

বিধি-১৬ : অযোগ্যতা

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন ও তাঁর পদ শূন্য হবে , যদি

ক) তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ হারান, অথবা

খ) সভাপতি/মহাসচিবকে তাঁর অনুপস্থিতির কারণ লিখিতভাবে না জানিয়ে পরপর তিনটি (৩) সভায় অনুপস্থিত থাকেন।

বিধি-১৭ : নগদ অর্থ

অ্যাসোসিয়েশনের স্বার্থে বা কাজের সুবিধার্থে মহাসচিব কোষাধ্যক্ষের নিকট ১০ হাজার টাকা নগদ রাখতে পারবেন , তবে শর্ত থাকে যে,

ক) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাসচিব সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম প্রদান করতে পারবেন।

খ) তবে এই বিধান নির্বাহী কমিটি নির্ধারিত বিশেষ কোনো তহবিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

গ) অন্যরূপে কোনো সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত না হয়ে থাকলে, মহাসচিব বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে যেকোনো একটি বিষয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন।

ঘ) অনুরূপভাবে, বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে একজন যুগ্ম মহাসচিব অন্য রূপে কোনো সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত না হয়ে থাকলে এক বিষয়ে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। তবে পরবর্তী কার্যনির্বাহী সভায় উক্ত খরচের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

বিধি-১৮ : নমুনা সহি

ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য চেকে স্বাক্ষরদাতাদের নমুনা সহি সভাপতি কর্তৃক অ্যাসোসিয়েশনের সিলমোহরসহ সত্যায়িত হতে হবে।

বিধি-১৯ : শাখা

ঢাকার বাইরে কোনো স্থানে ২১ জন সম্ভাব্য সদস্য থাকলে কমপক্ষে পাঁচজনের একটি সাংগঠনিক গ্রুপ শাখা গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবেন। কমপক্ষে ১৫ জনের সদস্যভুক্তির পর অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বরাবর স্বীকৃতির জন্য দরখাস্ত করা যাবে।

কোনো জেলা, উপজেলা কিংবা প্রদেশে একাধিক শাখা করা যাবে না।

বিধি-২০ : শাখা কমিটি

অ্যাসোসিয়েশনের শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি একজন সভাপতি, একজন সহসভাপতি, একজন কোষাধ্যক্ষ, একজন শাখা সম্পাদক, একজন সহকারী শাখা সম্পাদক ও কমপক্ষে ছয়জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হবে। কোনোভাবেই শাখার নির্বাহী কমিটি ৪৯ সদস্যের বেশি হবে না।

বিধি-২১ : সিলমোহর

অ্যাসোসিয়েশনের একটি সিলমোহর থাকবে, যা মহাসচিবের হেফাজতে থাকবে।

বিধি-২২ : পরিচয়পত্র

প্রত্যেক সদস্যকে কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সদস্য কার্ড বা পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

বিধি-২৩ : সদস্য বই

ক) অ্যাসোসিয়েশনের একটি সদস্য বই থাকবে। অ্যাসোসিয়েশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে সকল সদস্যের ছবিসহ বিবরণ থাকবে । উল্লেখ্য যে এই সমস্ত তথ্য বিবরণ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার জন্য সদস্যের সম্মতি নিতে হবে।

খ) মহাসচিব বরাবর লিখিত আবেদন করে যেকোনো সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য বই পরিদর্শন করতে পারবেন।

গ) সদস্যদের শ্রেণি অনুসারে, বর্তমান বছরের দেয় চাঁদা এবং বকেয়া দেখিয়ে প্রতিবছর ১০ নভেম্বরের মধ্যে একটি নতুন সদস্য তালিকা তৈরি করে তা পরিদর্শন ও যাচাইয়ের জন্য অফিস খোলার দিনগুলোতে অফিসে রাখা হবে এবং নির্ধারিত মূল্যে সদস্য তালিকার কপি কেনা করা যাবে অথবা এটা থেকে ব্যক্তিগতভাবে নোট টুকে নেওয়া যাবে। অ্যাসোসিয়েশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকেও এই তালিকা দেখা যাবে।

ঘ) সদস্য বই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের নোটিশের তারিখ পর্যন্ত পরিদর্শনের জন্য পাওয়া যাবে।

বিধি -২৪ : ডিজিটাল

নির্বাহী কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আন্তযোগাযোগ স্থাপন ও নানাবিধ কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে এক বা একাধিক ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস তৈরি, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে গ্রুপ, পেজ ইত্যাদি খোলা ও পরিচালনা করতে পারবে।

বিধি-২৫ : রাবিয়ান

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সকল সদস্য ‘রাবিয়ান’ হিসেবে অভিহিত হবেন এবং তাঁদের নির্দিষ্ট ব্যাচ (স্নাতক বর্ষ অনুসারে) ‘রাবিয়ান’-এর সাথে যুক্ত থাকবে। যেমন স্নাতক প্রথম ব্যাচ ‘রাবিয়ান ১’, স্নাতক ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচ ‘রাবিয়ান ৩৩’ এভাবে অভিহিত হবেন।

বিধি-২৬ : মার্চেন্ডাইজিং

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রচার, প্রসার এবং ‘রাবিয়ান’দের ভাবমূর্তি আরও সমুন্নত করতে বিভিন্ন ধরনের মার্চেন্ডাইজিং আইটেম বানানো ও বিক্রি করা যাবে, যা অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

বিধি-২৭ : অর্থমূল্য

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি কোনোভাবেই কেবলমাত্র অর্থমূল্য নির্ধারণ করে ‘নির্বাহী কমিটির কোনো পদের জন্য যোগ্য ব্যক্তি’ এবং কোনো যোগ্যতা নিরূপক বিধি সংযুক্ত করতে পারবে না। এমনকি নির্বাহী কমিটির কোনো পদে থাকার যোগ্যতা হিসেবে কোনো প্রকার বাধ্যতামূলক চাঁদা ধার্য করে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে না।

বিধি-২৮ : বিবিধ চাঁদা এবং অনুদান

অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি বিভিন্ন ব্যয় বহনের জন্য কিংবা নতুন কোনো উদ্যোগ গ্রহণের জন্য চাঁদা আহ্বান করতে পারবে, যা সদস্যদের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হতে হবে। তবে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের জন্য আবশ্যক চাঁদা নির্ধারণ করতে পারবে।

বিধি-২৯ : পরিবর্তন

কার্যনির্বাহী কমিটি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিতে নতুন বিধি প্রণয়ন কিংবা এই বিধিগুলোর পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন, পুনর্বিন্যাস, সংযোজন, বিয়োজন, সংশোধন করতে পারবে। তবে পরবর্তী সাধারণ সভায় এটা অনুমোদন করে নিতে হবে।

কোনো অবস্থাতেই যেন কোনো বিধি, অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্রের কোনো ধারার সাথে সাংঘর্ষিক কিংবা গঠনতন্ত্রের স্বার্থকে ক্ষুন্ন না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

সমাপ্ত